সরকারি নথিতে দেখানো হয়েছে ঘর দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে উপভোক্তাদের হাতে পৌঁছায়নি একটি ইটও! এই বিস্ফোরক অভিযোগকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার ধূপগুড়ির মাগুরমারী-১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে বিক্ষোভ বাসিন্দাদের।

এদিন গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে গিয়েও কোনও সদুত্তর না পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন বঞ্চিতরা। ঘটনাস্থলে পৌঁছান বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক মাধবচন্দ্র রায়। তিনি গোটা ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।…
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, তৎকালীন তৃণমূল আমলে বাংলা আবাস যোজনার ঘর তাদের নামে বরাদ্দ হলেও তারা কোনওদিন সেই ঘর পাননি। সম্প্রতি নতুন করে আবাস যোজনার আবেদন করতে গিয়েই সামনে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য—সরকারি রেকর্ডে তারা আগেই ‘ঘরপ্রাপ্ত’! প্রশ্ন উঠছে, তাহলে সেই ঘর গেল কোথায়? কারা পেল সেই সরকারি সুবিধা????????
বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসের কিছু নেতা-নেত্রী কাটমানির বিনিময়ে প্রকৃত উপভোক্তাদের বঞ্চিত করে অন্যদের নামে ঘর পাইয়ে দিয়েছেন। যদিও এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। বাসিন্দাদের বক্তব্য, সরকারি খাতায় আমরা ঘর পেয়েছি দেখানো হয়েছে। অথচ বাস্তবে কোনও ঘর পাইনি। ফলে নতুন করে আবেদনও করতে পারছি না। আমাদের প্রাপ্য ঘর কে নিল, তার জবাব চাই।

