জানা গিয়েছে, বুথের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক জানান, ভোটার তালিকায় দু’জনেরই নাম নেই। বৃদ্ধ দম্পতি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের অংশটি দেখালে সেটির মুদ্রিত অংশ দিতে বলা হয়। সেটা করার পরেও সুপ্রবুদ্ধ এবং দীপা ভোট দিতে পারেননি। অভিযোগ, তাঁদের বলা হয় সিউড়িতে জেলাশাসকের দফতর থেকে লিখিত অনুমতি নিয়ে আসতে হবে। তবে খবরটি চাউর হতেই নড়েচড়ে বসল নির্বাচন কমিশন। শেষ পর্যন্ত সিইও (CEO) দফতরের হস্তক্ষেপে বিকেল ৫টায় তাঁদের ভোট দেওয়ার বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ট্রাইব্যুনালের (West Bengal SIR Tribunal) রায় এবং সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশ – এত কিছুর পরেও ভোটকেন্দ্রে গিয়ে চরম হয়রানির শিকার হতে হয়েছিল নন্দলাল বসুর নাতি (Nandalal Bose Grandson) সুপ্রবুদ্ধ সেন ও তাঁর স্ত্রীকে। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, নন্দলাল বসুর নাতি সুপ্রবুদ্ধ সেন এবং তাঁর স্ত্রী দীপা সেনকে ওই বুথের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক জানান, ভোটার তালিকায় দু’জনেরই নাম নেই। বৃদ্ধ দম্পতি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের অংশটি দেখালে সেটির মুদ্রিত অংশ দিতে বলা হয়।সেটা করার পরেও সুপ্রবুদ্ধ এবং দীপা ভোট দিতে পারেননি। অভিযোগ, তাঁদের বলা হয় সিউড়িতে জেলাশাসকের দফতর থেকে লিখিত অনুমতি নিয়ে আসতে হবে। বৃদ্ধ দম্পতি বোলপুর থেকে আর সিউড়ি যাওয়ার ধকল নিতে চাননি। ভোট না-দিয়েই ফিরে যান তাঁরা।
তবে খবরটি চাউর হতেই নড়েচড়ে বসল নির্বাচন কমিশন। রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO) দফতরে এই খবর পৌঁছনো মাত্রই মহকুমা শাসকের দফতরে জরুরি বার্তা পাঠানো হয়। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “রিটার্নিং অফিসারের বোঝার ভুলের কারণেই এই দুর্ভাগ্যজনক হয়রানি হয়েছে।”দ্রুত ভুল সংশোধন করে ওই দম্পতিকে বিকেল ৫টার পর বুথে আসার অনুরোধ জানানো হয়েছে এবং তাঁদের ভোট দেওয়ার সমস্ত ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।শেষ পর্যন্ত সিইও (CEO) দফতরের হস্তক্ষেপে বিকেল ৫টায় তাঁদের ভোট দেওয়ার বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে এখন ভোটের অধিকার ফিরে পাওয়ায় খুশি নন্দলাল বসুর পরিবার। তবে প্রশ্ন উঠছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ হাতে থাকা সত্ত্বেও কেন প্রবীণ দম্পতিকে এভাবে বুথ থেকে ফিরে যেতে হল?

