চিকিৎসার জন্য অসমের গুয়াহাটিতে গিয়েছিলেন আলিপুরদুয়ার জেলার শামুকতলা এলাকার এক বাসিন্দা। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার মৃতদেহ নিয়ে একটি এম্বুলেন্সে করে পরিবারের সদস্যরা গুয়াহাটি থেকে শামুকতলার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে অসম-বাংলা সীমানা পেরিয়ে তুফানগঞ্জ-২ ব্লকের নাজিরান দেউতিখাতা এলাকার সেলস ট্যাক্স সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছাতেই উল্টো দিক থেকে ভুল পথে আসা একটি রেশন সামগ্রী পরিবহণকারী ট্রাকের সঙ্গে এম্বুলেন্সটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। দুর্ঘটনার পর সুযোগ বুঝে ট্রাক চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা গিয়েছে, এম্বুলেন্সে মৃতদেহ ছাড়াও পরিবারের একটি শিশু সহ আরও কয়েকজন সদস্য ছিলেন। সংঘর্ষে তাঁরা গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনা দেখে দ্রুত উদ্ধারকাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বক্সিরহাট থানার জোড়াই ক্যাম্পের পুলিশ এবং বারবিশা ট্রাফিক গার্ডের পুলিশ। পরে ঘাতক রেশনবাহী ট্রাকটিকে আটক করে পুলিশ। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
এদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে নাজিরান দেউতিখাতা এলাকার জাতীয় সড়কের নিরাপত্তা নিয়ে। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকায় নির্দিষ্ট পার্কিং ব্যবস্থা না থাকা সত্ত্বেও রাস্তার উপর দূরপাল্লার পণ্যবাহী ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকে। এর ফলে প্রায়শই যানজট ও দুর্ঘটনার পরিস্থিতি তৈরি হয় বলে দাবি তাঁদের।

