ইলেকট্রিকের বিল দেওয়া নিয়ে প্রাইমারি ও হাই স্কুলের মধ্যে দ্বন্দ্বের জেরে ভোগান্তির শিকার স্কুল পড়ুয়াড়া। বিধায়ক গিয়ে আলোচনা করে সমাধানের আশ্বাস দিলেন। চুঁচুড়ার একটি নামী স্কুল বিনোদিনী বালিকা বিদ্যালয়।
সেই স্কুলে মর্নিং সেকশনে চলে প্রাইমারি স্কুল।ডি সেকশনে হয় হাই স্কুল। মর্নিং স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারা স্কুলে এসে দেখেন তাদের জন্য বরাদ্দ ঘরটি তালা দেওয়া।চাবি না পেয়ে স্কুলের সামনেই মাটিতে বসে পড়তে শুরু করে পড়ুয়াড়া। প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক জানান,প্রতিমাসে ৪০০০ টাকা করে ইলেকট্রিকের বিল দিতে হয় তাদের হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষিকাকে। সেই টাকা গত কয়েক মাস দেওয়া হয়নি।নগদে সেই টাকা নিয়ে থাকেন প্রধান শিক্ষিকা। প্রাইমারির প্রধান শিক্ষক বলেন,স্কুলে সোলার প্যানেল বসানো আছে।তারপরও ইলেকট্রিকের বিল

প্রতিমাসে চার হাজার টাকা কেন দিতে হবে। পড়ুয়াদের অভিভাবকরা জানান,স্কুলের প্রাইমারি আর হাই স্কুল কর্তৃপক্ষের মধ্যে কি সমস্যা আছে আমরা জানিনা।কিন্তু ভুগতে হচ্ছে আমাদের বাচ্চাদের। এ প্রচন্ড গরমে তারা বাইরে বসে আছে।অনেকদিন এমন হয় মর্নিং স্কুল ছুটি হয়ে গেলে বাচ্চাদের স্কুল থেকে বাইরে বের করে দেওয়া হয়।কারণ তখন ডে স্কুলের মেয়েরা চলে আসে। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রতাপ মন্ডল মাইক হাতে নিয়ে অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলতে থাকেন,কেউ পারলে বাড়ি থেকে পাখা নিয়ে আসুন।গরমে বাচ্চাদের কষ্ট হচ্ছে। স্কুলে ঘর তালা দেওয়া নিয়ে সমস্যার খবর পেয়ে পৌঁছে যান চুঁচুড়ার বিধায়ক সুবীর নাগ।প্রাইমারির প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলেন।তারপর ফোনে হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষিকার সঙ্গেও কথা বলেন। বিধায়ক বলেন,খুব বড় সমস্যা নয় একটা স্কুলের দুটো বিভাগের মধ্যে ছোট সমস্যা দেখা দিয়েছে।সেটা আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে ফেলা যায়।আমি সময় দিয়েছি দুই বিভাগের কর্তৃপক্ষদের নিয়ে আলোচনা করে বিষয়টি মেটাবো।এমন বিষয় নিয়ে হই হট্টগোল করলে স্কুলের বদনাম।সেটা সমীচীন নয়।

