পাশের একটি ক্লাব ঘরে চলছে সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র। জানা গেছে, প্রায় কয়েক বছর আগে ধূপগুড়ি গধেয়ারকুঠি গ্রাম পঞ্চায়েত চলচরাবাড়ি এলাকায় সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রের দ্বিতল ভবনের কাজ শুরু হয়। আর এই সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জন্য জমি দান করেন প্রসন্ন কুমার রায় নামে এক ব্যক্তি। বর্তমানে দ্বিতল ভবন তৈরি হলো বাকি রয়েছে উপর তলার কাজ সহ নিচের প্লাস্টার। কিন্তু বর্তমানে জমিদাতা সেই সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র ছেড়ে দিতে নারাজ। তার দাবি, জমি দানের সময় তার পরিবারের একজনকে চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল পূর্বের প্রধান ধর্মনারায়ণ রায়। এমনকি চাকরির দেওয়ার জন্য পূর্বের প্রধান তাদের কাছ থেকে টাকাও চেয়েছিল বলে অভিযোগ। যদিও বর্তমান প্রধান বিজয় চন্দ্র রায় বলেন, পূর্বের প্রধানের আমলে কাজ শুরু হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে আমরা জমিদাতার সাথে বসে সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করব। জামিদাতা পরিবারের সদস্য পম্পা রায় বলেন, আমাদের সে সময় মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিওয়া হয়।

এর পর অঙ্গনওয়াড়ি চাকরি দেওয়ার জন্য ইন্টারভিউ হয় কিন্তু চাকরি দেয়নি। আমরা চাকরির জন্য জমি দিয়েছি এখন দেখছি চাকরি নেই। চাকরি না হলে আমারা জমি দেব না। জানা গেছে, প্রায় কুড়ি লক্ষ টাকা ব্যয় সে সময় গধেয়ারকুঠি গ্রাম পঞ্চায়েত কয়েকটি সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র তৈরি হয়। বর্তমানে সেই সমস্ত সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রে চালু হলেও এটি চালু হয়নি। আর পার্শ্ববর্তী একটি ক্লাবে সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র অস্থায়ীভাবে চালানো সমস্যায় পড়ছেন সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কর্মীরা। যদিও পূর্বের প্রধান ধর্ম নারায়ণ রায় বিষয়টি অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, চাকরি দেওয়ার আমার সাধ্য নেই। তাই টাকা পয়সার চাওয়ার বিষয়টি কোথা থেকে আসে। আর কোন চাকরিরও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি। আসলে উন্নয়নকে স্তব্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। ভূমি দাতা প্রসন্নকুমার রায় বলেন, সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র তৈরীর সময় আমাদের পরিবারের তরফে একটা চাকরি দেওয়ার কথা হয়েছিল। পূর্বের প্রধান এই বিষয়ে টাকাও চায়। আমার বউমার ইন্টারভিউ হয়। কিন্তু চাকরি হয়নি। তাই আমরা সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রের বাকি কাজ করতে দিব না।

