ফাঁস সেই এ্যডজুডিকেশনে:-

তিনি পশ্চিম বর্ধমান জেলা পরিষদের অন্যতম নির্বাচিত কর্মাধ্যক্ষ, এক যুগেরও বেশি সময় ধরে সালানপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতির দায়িত্বে, তারও আগে প্রায় তিন দশক ধরে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন শিল্পাঞ্চলের অন্যতম ব্যবসা ক্ষেত্র রূপনারায়ণপুর ব্যবসায়ী সমিতির। অথচ তারই নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ঠাঁই পেল না। মহম্মদ আরমানের নাম আজ ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত ভোটার তালিকায় আন্ডার এ্যডজুডিকেশনের ফাঁসে। এই ঘটনাকে মোঃ আরমান পাগলামি ছাড়া আর কোন কিছু বলতে পারছেন না। তিনি বলেন সবকিছুই ভুল ভাবে চলছে। মোঃ আরমানের স্ত্রী, বোন, ভগ্নিপতি, কাকার ছেলে,তার স্ত্রী সহ ৬ জনকে এস আই আর পর্বে শুনানিতে ডাকা হয়েছিল।

সেখানে মাধ্যমিকের এডমিট কার্ড সার্টিফিকেট সহ অন্যান্য সমস্ত নথিপত্রই তারা জমা দিয়েছিলেন। তারপরও আশ্চর্য কারণে তাদের নাম আন্ডার এ্যডজুডিকেশন হয়েছে। অর্থাৎ তাদের জমা দেওয়া নথিপত্র এবার বিচারকেরা খতিয়ে দেখে যথাযথ মনে করলে পরবর্তী তালিকায় তাদের নাম স্থান পেতে পারে। এই বিষয়টিকেই অত্যন্ত অনায্য এবং অবমাননাকর বলে মনে করছেন মোঃ আরমান। তিনি বলেন তাদের পরিবারের ছয়জনের নাম চূড়ান্ত তালিকায় ক্লিনচিট না পেলেও তার পুত্র কন্যার নাম এই তালিকায় যথাযথভাবে স্থান পেয়েছে। এ বিষয়ে মোঃ আরমান বলেন বাবা-মাকে সন্দেহের তালিকায় ফেলা হলো অথচ তাদেরই ছেলেমেয়েদের নাম উঠে গেল চূড়ান্ত ভোটার তালিকায়, একে পাগলামি ছাড়া আর কিই বা বলা যায়!
বারাবনি বিধানসভা কেন্দ্রের সালানপুর ব্লকে ৭১ নম্বর বুথের ভোটার মোঃ আরমান ও তার পরিবার। দেখা যাচ্ছে এখানে এসআইআরের আগে মোট ভোটার ছিলেন ৪৫০ জন। এরপর এস আই আর পরবর্তী সময়ে ৩৭০ জনের নাম নথিভুক্ত হয়। কিন্তু এই ৩৭০ জনের মধ্যে আবার ২৩ জনের নাম আন্ডার এ্যডজুডিকেশন দেখানো হচ্ছে। ফলে এই একটি বুথেই (৮০+২৩) ১০৩ জনের নাম হয় বাদ কিংবা আপাতত অন্তর্ভুক্ত হওয়া থেকে স্থগিত হয়ে গেল। এইভাবে প্রতিটি বুথেই যথাযথ কারণ ছাড়াই বহু ভোটারের নাম বাদ পড়ার অভিযোগ তুলছেন স্থানীয় মানুষজন।

By EXTV

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *