উল্লেখ্য কালীঘাট মন্দিরের সামনে থাকা রিফুজি মার্কেট ভেঙে দিয়ে নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়। এই মার্কেটের হকার দের সাময়িক ভাবে হাজরা পার্কে স্থান্ত্রিত করা হয়। তাই প্রতিশ্রুতি মত আজকে এই সমস্ত 175 জন কে তাদের দোকানের চাবি তাদের হাতে তুলে দিলেন দেবাশীষ কুমার। সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় কাউন্সিলর প্রবীর মুখোপাধ্যায়, তৃণমূল নেতা কুমার সাহা সহ পুর আধিকারিকরা। প্রসঙ্গত ইতিমধ্যে কালীঘাট স্কাইওয়াকের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। অক্ষয় তৃতীয় দিন তার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগে কালীঘাটের হকার দের দোকান ফিরিয়ে দেওয়া হল।

এই বিষয়ে দেবাশীষ কুমার জানালেন যে তারা তাদের প্রতিশ্রুতি মতোই 175 জন হকার দের হাতে তাদের দোকানের চাবি তুলে দিয়েছেন। তবে কালীঘাট নতুন করে হকার দের জবরদখল নিয়ে আপত্তি জানিয়ে তিনি বলেন যে যাতে সাধারণ মানুষ কালীঘাট মন্দির চত্বরে ভালো ভাবে হাঁটতে পারে এবং হকার দের নিজের ব্যবসা করতে পারে তার ব্যবস্থাপনা করা হয়েছে। নতুন করে কোনো হকার আর বসানো হবে না বলে পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন মেয়র পরিষদ ও স্থানীয় বিধায়ক দেবাশীষ কুমার। এদিন এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় কালীঘাটের ওসি ও উপস্থিত ছিলেন। নিজের দোকানের চাবি পেয়ে খুশি কালীঘাটের হকার রা। তবে কালীঘাটের স্কাইওয়াক কলকাতা এবং বাইরে থেকে আসা মানুষের কাছে বহু প্রতীক্ষিত বলে জানালেন মেয়র পরিষদ হকার পূর্ণবাসন বিভাগ দেবাশীষ কুমার। তিনি আশাবাদী আগামীদিনে স্কাইওয়াক চালু হলে আরো বেশি সংখ্যক মানুষের আগমন কালীঘাট মন্দিরে হবে বলে জানালেন তিনি।

