বিধ্বংসী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি পশ্চিম ত্রিপুরার বিভিন্ন জায়গা। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বহু জনজাতি পরিবারের বসতবাড়ি।
মঙ্গলবার বিকেল থেকেই হঠাৎই আকাশ কালো করে শুরু হয় প্রবল কালবৈশাখী ঝড়। মাত্র কয়েক মিনিটের ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়ে যায় হেজামারা থেকে সিমনারের বিভিন্ন এলাকায়। বিশেষ করে গ্রামীণ ও জনজাতি অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে ঝড়ের তীব্রতা ছিল সবচেয়ে বেশি।

বহু বাড়ির টিনের চাল প্রবল ঝড়ে কয়েকশো মিটার দূরে গিয়ে ছিটকে পড়েছে। মাটির দেওয়াল ভেঙে অনেক ঘর বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। রাস্তার দুপাশে থাকা বহু গাছ উপড়ে পড়ে যাতায়াত ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়েছে। বিদ্যুতের খুঁটি ও তারের ওপর গাছ পড়ে যাওয়ায় বিস্তীর্ণ এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখার কাজ শুরু হয়েছে। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা ত্রিপুরার ৮টি জেলাজুড়ে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে দ্রুত ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

