বারুইপুর: বারুইপুর পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডে আদি গঙ্গার ধারে অবস্থিত ‘আরণ্যক বনভোজন উদ্যান’-কে ঘিরে পশু-পাখি পাচারের অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করেছে বারুইপুর থানার পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে দাবি, উদ্যানে আগে ১৩টি ময়ূর, একাধিক কচ্ছপ ও টিয়া পাখি ও বিদেশি প্রচুর পাখি ছিল। বর্তমানে সেখানে একটি ময়ূরও ও বিদেশি পাখি নেই বলে অভিযোগ। পাশাপাশি বাকি পাখি ও কচ্ছপ বাজারে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

বারুইপুর পশ্চিম ১ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি গৌতম চক্রবর্তী উদ্যানে গিয়ে পরিস্থিতি দেখে পুলিশে খবর দেন। অভিযোগ পেয়ে বারুইপুর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অতীশ বিশ্বাস এবং বারুইপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক শান্তনু মিত্রের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনজনকে আটক করে।
ধৃতদের মধ্যে একজন দাবি করেছেন, একটি ময়ূর মারা যাওয়ার পর সেটিকে মাটিতে পুঁতে দেওয়া হয়েছিল। তবে জাতীয় পাখির মৃত্যুর পর বনদপ্তরকে কেন জানানো হয়নি এবং সরকারি নিয়ম মেনে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ঘটনায় বারুইপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন গৌতম চক্রবর্তী। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগের সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গ্রেফতারের পর সুপারভাইজার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার বিদেশি টিয়া পাখি।

