তৃণমূল জমানা থেকে কামাখ্যাগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালের আবাসন দখল ও জমি দখল করে রাখার অভিযোগ বেসরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে। নিশ্চুপ এখন প্রশাসন। তৃণমূলের জমনায় দখল হয়েছিল হাসপাতলের সরকারি আবাসন। দিব্যি প্রায় ১৫বছর থেকে যেন সব দেখে না দেখার পরিস্থিতি কুমারগ্রাম ব্লক স্বাস্থ্য দপ্তরের। ঘটনাটি আলিপুরদুয়ার জেলার কামাখ্যাগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে। সুত্রের খবর ব্লক স্বাস্থ্য দপ্তর একধিকবার চিঠি করলেও খালি করছে না ওই আবাসনে থাকা দখলকারী । অভিযোগ,বেসরকারী এম্বুলেন্স গাড়ির চালক হয়ে প্রায় ১৫বছর

থেকে সরকারী টাকায় জল বিদ্যুৎ এবং আবাসন ব্যবহার করছে তবুও যেন কেউ দেখছেই না । সরকারি আবাসন সরকারী কর্মচারী চাইতে গেলে টালবাহানা করে বেসরকারি কর্মচারী। আবাসন বাবদ মাসিক টাকা দিতে হয় কিন্তু ওই এম্বুলেন্স চালক দিব্যিই তৃণমূলের জমনার নেতাদের মদতে বসবাস করছেন । উল্লেখ, বছর খানেক আগে চিঠির মাধ্যমে আবাসন খালি করার কথা বলে ব্লক প্রশাসন কিন্তু সেই সময় কিছু সময় চেয়ে নেন দখলকারী এরপর বছর পার হয়ে গেলেও কোন পুরউদ্ধার করা হয়নি এবং কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি । বিষয়টি নিয়ে জেলা ও রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরে অভিযোগ করা হলেও কোন কাজ হয়নি । সম্প্রতি এক খবর প্রকাশের পর ফের চিঠি করা হয় তবুও মাস কেটে গেলেও দখল করে বসে আছে আবাসন।
এই বিষয়ে বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাঁও বলেন , তৃণমুলের আমলে ঘুঘুর বাসা হয়েছিল আমরা দেখছি কোথায় কি হয়েছে ।

