দীর্ঘদিন ধরে সিন্দ্রানী প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বেহাল দশা। অতীতে বিভিন্ন নির্বাচনের সময় নেতাদের প্রতিশ্রুতি মিললেও ভোট মিটলে মেলেনি সুফল। ভোটের আগে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়িকা মধুপর্না ঠাকুর আশ্বাস দিলেও স্বাস্থ্যকেন্দ্র যে তিমিরে ছিল সেই তিমিরে রয়ে গেছে।
মঙ্গলবার সিন্দ্রানী প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শন করলেন বাগদার নবনিযুক্ত বিধায়িকা সোমা ঠাকুর। তাকে সামনে পেয়ে এলাকার মানুষ হাসপাতালে ২৪ ঘন্টা ডাক্তার, নার্স এবং রোগী ভর্তি ব্যবস্থা রাখার দাবি জানান। পাশাপাশি হাসপাতালের কোয়ার্টারের বেআইনি দখল এবং মাঠ দখলের অভিযোগ জানান।

এ বিষয়ে বাগদার বিধায়ক সোমা ঠাকুর বলেন, বিগত সরকারের জমানায় পশ্চিমবাংলার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা একেবারে ধ্বং*স হয়ে গেছে, আমি যে হসপিটালেই যাচ্ছি দেখছি তার বেহাল দশা। যত দ্রুত সম্ভব স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে সিন্দ্রানী হাসপাতালে উন্নয়নের ব্যবস্থা করব।
সিন্দ্রানী_ গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য বিজয় বাইন জানান, এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বেহাল দশা। কোয়ার্টারগুলোতে মদের আসর বসে, হাসপাতালের মাঠ ব্যবসায়িক কাজে লাগানো হচ্ছে সমস্ত বিষয়ে বিধায়কের গোচরে এনেছি।
স্থানীয় বাসিন্দা অভীক বিশ্বাস জানান, আমাদের পার্শ্ববর্তী জেলা নদীয়ার দত্তপুলিয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গেলে সেখানে রোগীদের সাথে দুর্ব্যবহার করা হয়। বিগত সরকার হাসপাতাল নিয়ে কোন কিছুই ভাবেনি।

