কৃষক পরিবারের দরিদ্র ঘরের ছেলে মৃণাল দাস বিদ্যালয়ে প্রথম স্থান অধিকার করেছে মাধ্যমিক পরীক্ষায়। নাজিরান দেউতিখাতা শালবাগান এলাকায় তার বাড়ি। মাঝেরডাবরি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮৭ শতাংশ নাম্বার পেয়ে মাধ্যমিকে উক্তির্ন হয়েছে মৃণাল। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬১৩, জানাগিয়েছে মায়ের কোলে থাকা কালিন এক পথ দূর্ঘটনায় বাবা মারা গিয়েছিল মৃণালের। জ্ঞান হওয়ার পর চোখে দেখেনি বাবাকে। ঠাকুরদা ঠাকুমার কাছেই বড় হয় সে, লেখা পড়ার খরচ ঠাকুরদা এবং তার বিবাহিত পিসি মিলে মিশে চালিয়েছেন বলে জানিয়েছে মৃণাল।

চোখে স্বপ্ন বিজ্ঞান বিভাগ নিয়ে পড়াশুনা করে চিকিৎসক হওয়ার। মৃনালের স্বপ্নে বাঁধা হতে পারে আর্থিক সমস্যা সেই চিন্তা গ্রাস করছে সত্তোর বয়সি ঠাকুরদা সমেন্দ্র দাসকে। ঠাকুরদা কথায় যদি সরকারি ভাবে কোন সহযোগিতা পাওয়া যেত তাহলে নাতির লেখাপড়ার রাস্তাটা মশ্রিন হতো। ভবিষ্যতের চিন্তা যেমন রয়েছে তেমনি নাতির ভালোফলাফল নিয়ে ঠাকুরদা, ঠাকুমার মধ্যে আনন্দও লক্ষ্য করা গিয়েছে। মৃণালের ভালো ফলফল জানাজানি হতেই গ্রামের মানুষরাও তার বাড়িতে এসে সুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।

