ফের গরু চুরির ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠলো তুফানগঞ্জ-২ ব্লকের শালবাড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের নয়ারহাট বজ্রাপুর এলাকা। সোমবার গভীর রাতে শালবাড়ি-২গ্রাম পঞ্চায়েতের বজ্রাপুর এলাকর রাতে সুমির বর্মন, গোবিন্দ রায়, ও প্রফুল্ল ডাকুয়ার বাড়ির গোয়ালঘর থেকে ছটি গরুর চুরির ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ঘটনায় বক্সিরহাট থানায় মঙ্গলবার সকালে গরু চুরির লিখিতো অভিযোগ দায়ের করে ওই পরিবার।।

গরু চুরির প্রতিবাদ জানিয়ে মঙ্গলবার হরিপুর-কামাখ্যাগুড়ি সংযোগকারী রাজ্যসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান এলাকার বাসিন্দারা। তাদের অভিযোগ,গোরুর দুধ বিক্রি করে কোনরকমে সংসার চলে ওই পরিবারগুলি বলে জানা যায়। সেই গোরু চুরি যাওয়ায় বিপাকে পড়েছে ওই পরিবার গুলি।তাদের আরো অভিযোগ,এর আগেও এই এলাকা থেকে গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। ফের গতকাল রাতে বজ্রাপুর এলাকার তিনটি বাড়ি থেকে ছটি গরু চুরির ঘটনা ঘটায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন তারা?। তারা জানান রাতে পুলিশের টহলদারি থাকা সত্ত্বেও এলাকায় কি করে গরু চুরির ঘটনা ঘটছে। গরু চুরির প্রতিবাদে এদিন দীর্ঘ প্রায় দু-ঘন্টা ধরে চলে পথ অবরোধ। অবরোধের ফলে হরিপুর কামাখ্যাগুড়ি সংযোগকারী রাজ্য সড়কের ওপর যানজট সৃষ্টি হয়ে পড়ে। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে বক্সিরহাট থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশ এসে অবরোধ তুলতে গেলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে বাঁধানো বাদে জড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় বিক্ষোভকারীদের । এরপর পরিস্থিতি উত্তাল হয়ে উঠলে ঘটনাস্থলে বক্সিরহাট থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরবর্তীতে পুলিশের তরফে চুরি রুখতে প্রয়োজনীয় আশ্বাস দিলে, দীর্ঘ দু ঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নেন গ্রামবাসীরা।
উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেও তুফানগঞ্জ-২ ব্লকের মান্তানি এলাকা থেকে গরু চুরির ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল সেই এলাকায়। তবে চুরি তিন দিনের মাথায় অভিযান চালিয়ে সেই গরু উদ্ধার করে দেয় পুলিশ। তারপর থেকেই তুফানগঞ্জ-২ ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় রাতে পিকেটিং বসায় পুলিশ। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ রাতে প্রতিটি মোড়ে মোড়ে পুলিশ পাহারা থাকার পরেও কিভাবে চুরি যাচ্ছে গোরু। ফলে সর্ষের মধ্যেই কি ভূত রয়েছে সন্দেহ হচ্ছে তাঁদের।

