নদীয়ার কৃষ্ণনগর শহরে মৃত মাকে নিয়ে ১১ বছরের মেয়ে রাস্তায় বসে থাকে দীর্ঘ সময়। দেখলেন অনেকেই।অভিযোগ,এগিয়ে এলেন না কেউ।একা মেয়ে রাস্তায় বসে চিৎকার করে কাঁদলেও তাতে মন গলেনি কোনও ‘মানুষ’–এরই! বাবা ছুটে বেড়ালেন, একটা গাড়ি জোগাড় করতে। কিন্তু, কেউ বাড়িয়ে দিলেন না সাহায্যের হাত। ফলে রাস্তার পাশেই মেয়ের কোলে মাথা রেখে মারা গেলেন ৪৫ বছরের জাহেরা বিবি। অমানবিকতার এই নিদর্শন এর সাক্ষী রইল কৃষ্ণনগর শহর বাসি গত
শুক্রবার সকালের ঘটনা।
জানা গিয়েছে, জাহেরার কিডনির সমস্যা ছিল।


স্বামী নুর মোহাম্মদ বলেন,জমি বিক্রি করে নিয়মিত ডায়ালিসিস করা হচ্ছিল তাঁর। ডায়ালিসিসের জন্যই সকাল ৯টা নাগাদ তেহট্টর তরণীপুরের বাড়ি থেকে মেয়ের সঙ্গে বেরিয়েছিলেন নুর ও জাহেরা।বেসরকারি বাসে করে আসছিলেন কৃষ্ণনগরে পালপাড়ায় একটি নার্সিংহোমে। সূত্রের খবর, কৃষ্ণনগর শহরে ঢোকার মুখে অসুস্থতা বাড়ে জাহেরার। তার একটু পরে স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে কৃষ্ণনগর-করিমপুর পুরসভার স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কাছে নেমে পড়েন নুর। এরপরেই তেরো বছরের মেয়ের কোলে মাথা রেখে মৃত্যু হয় মহিলার। মহিলার মৃত্যুতে শুরু হয় রাজনৈতিক তরজা ঠিক তেমনি।

রবিবার বিকেলে তেহট্ট থানার তরণীপুর মৃত জাহেরা বিবির পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে জান আই এস এফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। মৃতের স্বামী নূর মোহাম্মদ মন্ডল এর সঙ্গে কথা বললেন, এবং পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী।

By EXTV

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *