ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা এলাকায়! ঘটনাটি ধূপগুড়ির মাগুরমারী দুই নং গ্রাম পঞ্চায়েতের পূর্ব আলতা গ্রামের ১৫/১৩৩ বুথের! স্থানীয় সূত্রে জানা যায় দীর্ঘ ৪৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে জমি দখলে ছিল আব্দুল ওহাদেত নামের ব্যাক্তির কাছে!সেই জমি দখলের অভিযোগ উঠলো তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যের বিরুদ্ধে। জানা গেছে হাল দাগ ৭৮০ দাগের ৩৩ ডিসিমেল জমি স্বামী স্ত্রীর নামে বৈধ দলিল জমি টি ১৯৮০ সাল এ কিনেছে আব্দুল ওয়াদেদ ও নুরজাহান বেগম তাদের স্বামী এ স্ত্রী হাতে লেখা পর্চা রয়েছে তাদের কাছে।

সেটা BL&LRO অফিস এ গিয়ে কম্পিউটার পর্চা করা হয় নি ।২০১৪ সালে কুদুস আলী হাল ৭৮০ দাগ এর জমি রেকর্ড করে নিয়ে।জমি দখল করার চেষ্টা করছে কুদুস আলী।পাশেই হাল ৭৮১ দাগের জমি ৩৭ ডিসিমেল জমি কুদ্দুস আলীর নামে রয়েছে। কিন্তু তার জমি তার দখলে থাকা সত্ত্বেও। পাশের আব্দুল ওহাদেত এর জমি দখল করার চেষ্টা করছেন কুদ্দুস আলী। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কুদ্দুস আলী। তার বক্তব্য ২০০৯ সালে তিনি জমিটি কিনেছেন ২০১৪ সালে রেকর্ড কাটা হয়েছিল। যাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। শুক্রবার সকাল বেলা জমিতে পাট ফেলতে গিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল বচসা সৃষ্টি হয়। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ধূপগুড়ি থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে জমিতে কোর্ট কেস চলছে । স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য মোহাম্মদ আলিমুদ্দিন জানিয়েছেন আমার জন্মের পর থেকেই আমি দেখে আসছি এই জমি আব্দুল ওহাদেত এর দখলেই ছিল। আবার পাশেই রয়েছে কুদ্দুস আলীর জমি দুই পক্ষের জমি নিয়ে ঝামেলা চলছে, পুলিশ আসছে, দুই পক্ষকে জমিতে নামতে বাধা দিয়েছে পুলিশ যেহেতু কোর্ট কেস চলছে, আমরা এটা নিয়ে দলীয়ভাবে বসবো দুই পক্ষকে ডাকবো। বসে মিটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করব।

