চাষীদের মাথায় হাত পড়ে গিয়েছিল। ধান, সব্জি-ফল চাষ করে বিপাকে পড়েছিলেন চাষিরা। কিন্ত দুই দিন রাতভর টানা বৃষ্টিতে স্বস্তি ফিরেছে ঝাড়গ্রাম জেলার কৃষকদের। বৃষ্টির দেখা মিলতেই এই অবস্থায়, স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছে কৃষি দফতরের কর্তারাও থেকে শুরু করে চাষীরা। জানা গেছে, মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হতে তীব্র গরমের হাত থেকে স্বস্তির নিঃশ্বাস নিল ঝাড়গ্রাম জেলার মানুষজন। কাঠফাঁটা গরমে বিগত কয়েকদিনে মানুষের নাজেরহাল অবস্থা।

বৃষ্টির অপেক্ষায় মানুষের তীর্থের কাকের মতো অবস্থা ছিল। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী শুক্রবার দুপুর থেকে ঝড় হাওয়ার সাথে টানা বৃষ্টি শুরু হয়। শনিবার সকালেও সেই বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। ঝাড়গ্রাম সহ জঙ্গলমহলের বিভিন্ন অংশে শুরু হল বৃষ্টি। বৃষ্টির পূর্বে শুরু হয় ঝোড়ো হাওয়া। শুক্রবার দুপুর থেকে বৃষ্টি দেখা মিলতে স্বস্তির নিঃশ্বাস মিললো যেমন শহরবাসীর তেমনি উপকৃত হলেন চাষিরা। বৃষ্টির জেরে সবজি চাষিরা উপকৃত হোন। বেশ কয়েকদিন ধরে শুরু হওয়া প্রচন্ড তাপপ্রবাহের জেরে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করেছিলেন সবজি চাষীরা। প্রসঙ্গত, ঝাড়গ্রাম জেলা জুড়ে প্রবল গরমে নাজেহাল সাধারণ মানুষজন। সূর্য মধ্যগগনের দিকে এগোতে শুরু করলেই বাড়ির বাইরে পা দেওয়া দায় হয়ে উঠছে। শুধু চড়া রোদই নয়, সঙ্গে তাপপ্রবাহের জেরে চরম কষ্ট আর আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি। খুব প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বেরোতে পারছেন না মানুষজন। চরম সমস্যায় ঝাড়গ্রামবাসী। ঝাড়গ্রাম জেলায় তাপমাত্রা প্রায় ৩৭ ডিগ্ৰি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। তীব্র গরম আর তাতেই একেবারে নাজেহাল হয়ে উঠেছেন সাধারণ মানুষ। ইতিমধ্যে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলার তাপমাত্রা ৩৭ ছুঁয়েছে। এরই সঙ্গে তাপপ্রবাহের সতর্কতাও দেওয়া হয়েছে। কার্যত গলদঘর্ম অবস্থা। তবে শুধু
দক্ষিণবঙ্গেই নয়, উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলাতেও তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে।

