১২০ টাকা দিয়ে লটারি কেটে কোটিপতি হলেন ধূপগুড়ি মহকুমার পূর্ব ডাউকিমারী এলাকার এক প্যারা টিচার। জানা গিয়েছে, পূর্ব ডাউকিমারী হাসপাতাল পাড়ার বাসিন্দা পেশায় প্যারা টিচার জয়রাম অধিকারী প্রায়ই লটারি কাটতেন তিনি। অনান্য দিনের মতো রবিবারেও তিনি ১২০ টাকার লটারি কেটেছিলেন ডাউকিমারী বাজারের এক লটারি বিক্রেতাকে ফোন করে। জয়রাম বাবুর ১২০ টাকার পছন্দ করা নাম্বারটি স্বযত্নে রেখেও দেন লটারি বিক্রেতা। এই পর্যন্ত সব কিছু প্রতিদিনের মতোই ছিলো। কিন্তু সন্ধ্যে ৬ টার রেজাল্ট বেরোতেই কোটিপতি জয়রাম বাবু। জয়রাম জানিয়েছেন,এদিন সন্ধ্যায় তিনি তখন বাড়িতে। প্রথমে তিনি মোবাইলে রেজাল্ট দেখেন।এর পর ফোন আসে লটারি বিক্রেতার।

তিনি ফোনে জানান, লটারিতে ১ কোটি টাকা প্রাইজ হয়েছে। এই খবর পাওয়া মাত্রই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বাজারে ছুটে আসেন ঐ শিক্ষক, এবং লটারি বিক্রেতার কাছ থেকে সেই লটারিটি নিয়ে সোজা চলে যান ডাউকিমারী পুলিশ ফাঁড়িতে। এদিন লটারিতে ১ কোটি টাকা প্রাইজ জিতার বিষয়টি পুলিশকে লিখিত আকারে জানিয়ে, ফাঁড়ি থেকে বেড়িয়ে জয়রাম অধিকারী বলেন, আমার যৌথ পরিবার। আমি আগে অনেক টাকা নষ্ট করেছি। তাই আগামি দিনে ছেলে-মেয়ে ও পরিবারের জন্য কিছু করার ভাবনা রয়েছে। লটারি বিক্রেতা মহম্মদ মনুরুদ জামান বলেন, উনি মাঝে মাঝেই আমার কাছ থেকে লটারি কাটেন। আজকেও ফোন করে ১২০ টাকার লটারি কেটেছেন। লটারি বিক্রেতার কথায়, তিনি প্রায় ১৬ থেকে ১৭ বছর ধরে লটারি বিক্রি করেন। এর আগে তার করা বিক্রি টিকিটে অন্যান্য প্রাইজ পড়লেও এক কোটি টাকার প্রাইজ এবার প্রথম।

