উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী জল্পেশ শ্রাবণী মেলা। তবে মন্দির সংলগ্ন জল্পেশ বাজারের বেহাল অবস্থায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে পথচারীরা। প্রতিদিনই কয়েক হাজার মানুষ এখানে আসেন, জল–কাদা রাস্তা, বাজার করা তো দূরের কথা, হাঁটাচলাই করাই দায় হয়ে উঠছে।
এই রাস্তা দিয়েই যেতে হয় জল্পেশ স্কুল, একটি বেসরকারি বিদ্যালয় এবং অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী ও তাদের অভিভাবকদের। কিন্তু কাদা ও জলাবদ্ধতার কারণে তাদের প্রতিনিয়ত পড়তে হচ্ছে বিপাকে। পরিস্থিতি এমন যে, শুক্রবার রাস্তায় ধানের চারা রোপণ করে প্রতিবাদ জানালেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

প্রশ্ন উঠছে— যেখানে উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যের প্রতীক জল্পেশ মন্দির, সেখানে সংলগ্ন বাজারের এই করুণ অবস্থা কেন ? বিশেষ করে রবিবার ও সোমবার, শ্রাবণ মাসের শেষ সপ্তাহে, পুণ্যার্থীদের ঢল নামবে এখানে। এমন অবস্থায় জল–কাদা না সরালে ভিড় কমে যেতে পারে দোকানে, মার খাবে ব্যবসা।
জল–কাদার সমস্যা স্বীকার করেছেন মন্দির কমিটির ট্রাস্টি বোর্ডের সম্পাদক গিরীন্দ্রনাথ দেব। তিনি দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিলেও, স্থানীয়দের প্রশ্ন— কবে মিলবে সেই সমাধান ? কতদিন সাধারণ মানুষকে জল–কাদার ওপর দিয়েই হেঁটে যেতে হবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

