শারীরিক ও মানসিক দিক থেকে খুদে ঋত্বিক ৯০ শতাংশ বিশেষভাবে সক্ষম । অক্ষমতার শংসাপত্র সহ যাবতীয় কাগজপত্র গ্রাম পঞ্চায়েত এবং বিডিও অফিসে জমা দিয়েও জোটেনি মানবিক ভাতা । ঘটনায় মুষড়ে পড়েছে কুমারগ্রাম ব্লকের চ্যাংমারি গ্রাম পঞ্চায়েতের বড়দলদলির গরিব কৃষক পরিবার । বিশেষভাবে চাহিদা সম্পন্ন ঋত্বিকের বয়স এখন ১৪ বছর ।

নাওয়া-খাওয়া, পোশাক পরিবর্তন সবই করিয়ে দিতে হয় ৷ সে নিজে একা কিছুই করতে পারে না । হাঁটা-চলা তো দূর অস্ত, ঋত্বিক কথাও বলতে পারে না । নুন আনতে পান্তা ফুরায় সংসারে বিশেষভাবে সক্ষম ছেলের জন্য পুষ্টিকর তরল খাবার জোগারে রীতিমতো হিমসিম খেতে হচ্ছে পেশায় ক্ষুদ্র কৃষক শ্যামল দাসকে। তার কথায়, সরকারিভাবে মানবিক ভাতা পেলে অনেক সুবিধে হবে ।

