প্রায় দেড় বছরের মাথায় আদালতের সাজা ঘোষণায় ঘোষণায় খুশি পরিবার।গত ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ধূপগুড়ির একটি গ্ৰামের ১১ বছরের এক নাবালিকাকে বাড়ি থেকে অপহরণ করে ধর্ষন ও তারপর গামছা দিয়ে ফাঁস দিয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে ৪৫ বছরের হরিপদ রায় নামে এক প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। এমনকি মৃতদেহটি একটি বস্তায় ভরে ডুডুয়া নদীতে ফেলে দেয়। এদিকে নাবালিকাকে খুজে না পেয়ে ধূপগুড়ি থানায় একটি নিখোঁজের মামলা করে নাবালিকার পরিবার। অন্যদিকে তিনদিন বাদে নদীর ধার থেকে একটি বস্তা উদ্ধার করা হয়।

সেই বস্তা থেকে উদ্ধার হয় নাবালিকার মৃতদেহ। ঘটনার তদন্ত নেমে ধূপগুড়ি থানার পুলিশ বিভিন্ন এলাকার সিসিটিভির ফুটেজ দেখে প্রতিবেশী অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। এরপর অভিযুক্তর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে নাবালিকার জলের বোতল,অভিযুক্তের সাইকেল উদ্ধার করে। এমনকি অভিযুক্তের ঘরে রক্তের ছোপ ছোপ দাগ দেখা যায়। অভিযুক্তের ফাঁসির দাবিতে সরব হয় এলাকাবাসী। ধূপগুড়ি থানার বিরাট পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকে। পাশাপাশি এলাকায় যাতে কোনো অশান্তি না হয় সেকারণে মোতায়েন করা হয় পুলিশ। এদিকে বুধবার দীর্ঘ প্রায় দেড় বছরের মাথায় জলপাইগুড়ি বিশেষ পকসো আদালতের বিচারক রায় ঘোষনা করেন। অভিযুক্তকে ফাঁসির সাজার পাশাপাশি তথ্যপ্রমাণ লোপাট করার চেষ্টার জন্য ৭ বছরের জেল ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে৷
এই রায়দানে খুশি নাবালিকার পরিবার সহ এলাকাবাসী। প্রত্যেকেই চান এরকম ঘটনা আর যাতে না ঘটে।

By EXTV

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *