অভাবের তাড়নায় একদিনের নবজাতক কন্যা সন্তানকে বিক্রি করে দিয়েছিল পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা সিমনা কাটাছড়া গ্রামের এক অসহায় হতদরিদ্র মা – বাবা। সে খবর সম্প্রচার করেছিলাম আমরা। তারপরেই নরেচরে বসে প্রশাসন উদ্ধার হয় বিক্রি হওয়া নবজাতক কন্যা সন্তান।
সম্প্রতি প্রসেনজিৎ দাস ও লক্ষ্মী রানী সরকারের চতুর্থ সন্তানের জন্ম হয় এবং সেদিনই কন্যা সন্তানটিকে বিক্রি করে দেওয়া হয় খোয়াই জেলার এক পরিবারের কাছে। নবজাতক শিশু কন্যাটির মায়ের দাবি, তাদের ৩টি সন্তান রয়েছে তাই চতুর্থ সন্তানটি’কে লালন পালন করতে পারবে না এবং ওই পরিবারে তাদের সন্তান ভালো থাকবে বলে তাই তারা নবজাতক কন্যা সন্তানটিকে বিক্রি করেদেন। তবে তিনি শিকার করেন যে, ওই পরিবারটির সঙ্গে তাদের আগে থেকেই যোগাযোগ ছিল। নবজাতক কন্যা সন্তানটির দিদন শিকার করেন যে নবজাতক কন্যাটিকে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা এক্স টিভি বাংলায় সম্প্রচারিত হতেই নড়েচড়ে বসে পুলিশ প্রশাসন ও চাইল্ডলাইন।

শিশুটিকে উদ্ধার করে রাখা হয় একটি সরকারি হোমে। এদিকে, ১ দিনের কন্যা সন্তান বিক্রির ঘটনায় শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের তরফে দাবি করা হয়, বাচ্চা বিক্রির বিষয়টি ভুল। তবে, শিশুটিকে উদ্ধার করে হোমে রাখা হয় এবং তদন্ত করে যদি দেখা যায় যে শিশুর পরিবার যদি তাকে লালন পালন করতে না পারে তাহলে পরবর্তী সময় নিয়মনীতি মেনে তাকে দত্তক দেওয়া হবে। আপাতত শিশু কন্যাটি হোমে আছে এবং ভালো আছেন বলে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিস্তারিত জানান শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সন জয়ন্তী দেববর্মা।

