ত্রিপুরা উপজাতি অধ্যুষিত ২৯ কৃষ্ণপুর বিধানসভা কেন্দ্র এলাকার ৪৭ মাইল অর্থাৎ আঠারোমুড়া পাহাড়ে দেখা গেল এক বিরল দৃশ্য। খাদ্যের অভাবে ও সংসার প্রতিপালনের জন্য এখনো জনজাতি মানুষজনরা জঙ্গল থেকে লাকড়ি কুড়িয়ে তা বিক্রি করে কোন প্রকার বেঁচে আছেন। এই দৃশ্য পরিলক্ষিত হলো ভারতের ছোট্ট পার্বত্য ত্রিপুরা রাজ্যের খোয়াই জেলার প্রত্যন্ত এলাকা বলে পরিচিত তেলিয়ামুড়া মহকুমার মুঙ্গিয়াকামী আর.ডি ব্লকের অধীন অসম-আগরতলা জাতীয় সড়কের পাশে অবস্থিত আঠারোমুড়া পাহাড়ের এ.ডি.সি ভিলেজের ৪৫ মাইল থেকে শুরু করে ৪৮ মাইল এলাকায়।

খিদের জ্বালায় যখন ছন্নছাড়া ভাব তখন জনজাতি পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ থেকে কচিকাঁচা শিশুরাও খিদের জ্বালা নিবারণের জন্য পরিবারের একে অপরের হাত ধরে বিভিন্ন কাজে লিপ্ত হতে দেখা যায়। কাজটি প্রশাসন বিরোধী হলেও খিদের জ্বালা নিবারণের জন্য আইন কানুনের নীতিকে তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন কাজে লিপ্ত হতে পিছুপা হয় না অভাবি জনজাতি পরিবার গুলো। দেখা যায়, অসম- আগরতলা জাতীয় সড়ক লাগুয়া রাস্তার পাশ থেকে জনজাতি পরিবারের সকল সদস্যরা মিলে জ্বালানি কাঠ সংগ্রহ করে বাজারজাত করে তারা জীবন যুদ্ধে করছে। গত ২০২৩ সালের ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে নেতাদের গালভরা প্রতিশ্রুতির বন্যা বইলেও নির্বাচন-পর্ব শেষ হতেই নেতাদের যে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর, তা কিন্তু আজকের এই প্রতিবেদনটি প্রত্যক্ষ করলে একেবারেই স্পষ্ট।

