ফের আবাসে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল অঞ্চল সভাপতির। এক বৃদ্ধার কাছ থেকে রাস্তা ও আবাসের ঘর পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৩৬ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠলো কোচবিহারের তুফানগঞ্জ-২ ব্লকের শালবাড়ি-২ অঞ্চল সভাপতি মিলন বর্মণের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগ উঠায় অস্বস্তিতে শাসকদল।সোমবার অভিযুক্ত তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি মিলন বর্মনের বিরুদ্ধে বক্সিরহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন চিত্র মালা বর্মন ৬০ উর্ধ্ব ওই বৃদ্ধা। তৃণমূল সুপ্রিম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলীয় কর্মীদের কাটমানি না নেওয়ার বিষয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন। তারপরও কিভাবে তৃণমূল নেত্রীর নির্দেশ অমান্য করে কাটমানি তোলেন তৃণমূল নেতারা? তাহলে কি নিচু তলার কর্মী সমর্থকরা নির্দেশ মানছেন না? প্রশ্ন তুলে সরব হয়েছে বিরোধীরা।

৬০ উর্ধ্ব চিত্রমালা বর্মনের অভিযোগ, আবাস যোজনা ঘর ও রাস্তার পাইয়ে দেওয়ার নাম করে বছর দুয়েক আগে ওই বৃদ্ধার কাছ থেকে ৩৬ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি। এরপর টাকা ফেরত দিতে দীর্ঘ তালবাহানা করে বলে অভিযোগ। এরপর প্রতারিত হওয়ার বিষয়টি বুঝতে পেরে অঞ্চল সভাপতির কাছে টাকা ফেরত চাইলে উল্টে তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মানতে নারাজ অঞ্চল সভাপতি মিলন বর্মন। তাঁর বক্তব্য, সবটাই বিজেপির চক্রান্ত। চিএ মালা বর্মন নামে আমি কাউকে চিনি না? শালবাড়ি ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েত বিজেপির দখলে তাদের তোলাবাজকে বালি চাপা দেওয়ার জন্য তৃণমূল কংগ্রেসকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করছে। যদিও টাকা নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন এটা আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি, এটা যে ভুল এবং মিথ্যে তা আমি প্রমাণ করে দেখাবো। যদিও এ নিয়ে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করতে ছাড়েনি বিজেপি।

