শিলিগুড়ির ইস্টার্ন বাইপাস সংলগ্ন সাহুনদী ও ফাঁড়াবাড়ি জঙ্গল এলাকায় পরিবেশ দূষণ নিয়ে চরম উদ্বেগ। বছরের পর বছর ধরে নদীর উপর ফেলে রাখা হচ্ছে প্রতিমার কাঠামো। দায়কার? যা নিয়ে শুরু হয়েছে প্রশাসনিক চাপানউতোর। প্রশ্ন উঠছে—পরিষ্কার করবে কে?
শিলিগুড়ির ইস্টার্ন বাইপাস থেকে কিছুটা দূরে শাওনদীর বুকে চোখে পড়ছে একের পর এক প্রতিমার কাঠামো। নিরঞ্জনের পর সেগুলি আর সরানো হয় না বলেই অভিযোগ। ফলে নদীর স্বাভাবিক জলপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, দূষিত হচ্ছে জল, নষ্ট হচ্ছে আশপাশের পরিবেশ। এর প্রভাব পড়ছে লাগোয়া ফাঁড়াবাড়ি জঙ্গল এলাকাতেও।


স্থানীয়দের দাবি, এক–দু’মাস নয়—বছরের পর বছর ধরে একইভাবে পড়ে থাকে প্রতিমার কাঠামো। এতে বাড়ছে আবর্জনা, তৈরি হচ্ছে দুর্গন্ধ, মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ছে নদী ও জঙ্গলের বাস্তুতন্ত্র।
এই ঘটনায় ডাবগ্রাম ২ নম্বর অঞ্চলের প্রধান মিতালী মালাকারের দিকে আঙুল তুলছে একাংশ। যদিও তিনি দাবি করেছেন, এই বিষয়টি ফরেস্ট দফতরের অধীনে পড়ে এবং তারাই পরিষ্কার করতে পারে।
অন্যদিকে ফরেস্ট কর্মীদের বক্তব্য, প্রতিমার কাঠামো ফেলার সম্পূর্ণ দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েতের, অর্থাৎ ডাবগ্রাম ২ নম্বর অঞ্চলের।
ফলে দায় এড়ানোর এই লড়াইয়ে ক্রমশ বেহাল হয়ে পড়ছে শাওনদীর অবস্থা। প্রশ্ন উঠছে—পরিবেশ রক্ষার দায় নেবে কে? কবে পরিষ্কার হবে নদী?প্রশাসনের এই দায় ঠেলাঠেলির মাঝে শাওনদী আজ কার্যত আবর্জনার স্তূপে পরিণত হয়েছে। দ্রুত স্থায়ী সমাধান না হলে আগামী দিনে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে বলেই আশঙ্কা স্থানীয়দের।

By EXTV

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *