সাপের ছোবলে আক্রান্ত রোগীর হৃদ স্পন্দন প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, সেই অবস্থায় দুই চিকিৎসকের চেষ্টায় প্রান ফিরল মহিলার। গোটা ধূপগুড়িতে সারা ফেলেছে এই ঘটনা৷
এমনই ঘটনার সাক্ষী থাকল মহিলার পরিবার ও অন্যান্য রোগীর আত্মীয়রা। মঙ্গলবার সাপের ছোবলে আক্রান্ত প্রায় ছয়জনকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্যে আনা হয়েছিল।তার মধ্যে দুজনকে জলপাইগুড়ি স্থানান্তর করা হয়।আর এক মহিলার অবস্থা এতটাই আশঙ্কাজনক ছিল যে চিকিৎসকরা লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্স করে জলপাইগুড়িতে রোগীকে পাঠিয়েছে।

ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালের চিকিৎসকরা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে ওই মহিলাকে মৃ*ত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে আনে।
জানা গিয়েছে ধূপগুড়ি ব্লকের বিভিন্ন এলাকা থেকে সাপে কাটা ছয় জন রোগী মহকুমা হাসপাতালে আসে।এর মধ্যে দুইজনের অবস্থা অবনতি দেখা দেয়।তাদের মধ্যে একজনকে দ্রুত জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিস্টি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।অপর এক মহিলার হৃদ স্পন্দন প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।এই মূহুর্তে রোগীকে জলপাইগুড়ি নিয়ে যেতে গেলে লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্সের প্রয়োজন।কিন্ত মহকুমা হাসপাতালে লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্স নেই।জলপাইগুড়ি থেকে অ্যাম্বুলেন্স আসতে অনেকটাই সময় লেগে যাবে।ততক্ষণ মহকুমা হাসপাতালের দুই চিকিৎসক প্রশান্ত মন্ডল ও প্রনয় দাস হৃদ স্পন্দন সচল রাখতে চিকিৎসা শুরু করেন। প্রায় এক ঘন্টা ধরে দুই চিকিৎসক মহিলাকে চিকিৎসা পরিষেবা দিয়ে মহিলাকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন পরবর্তীতে ওই মহিলাকে লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্সে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ধূপগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালকে মহকুমা হাসপাতাল ঘোষণা করা হলেও এখনও পরিকাঠামো গড়ে ওঠেনি মহকুমা হাসপাতালে। এর পরেও চিকিৎসক সহ নার্সরা রোগীদের সব রকম ভাবেই পরিষেবা দিয়ে যাচ্ছে।

By EXTV

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *