আসানসোলের বারাবনি জুড়ে এখন শুধুই ঘাসফুল শিবিরের উল্লাস। আজ এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে আসন্ন নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন বারাবনি বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী বিধান উপাধ্যায়। এদিন সকাল থেকেই বারাবনি এলাকায় কর্মী-সমর্থকদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।
রাজনৈতিক লড়াইয়ে নামার আগে এদিন প্রথা মেনেই আধ্যাত্মিক ও পারিবারিক আশীর্বাদ দিয়ে দিনটি শুরু করেন বিধান উপাধ্যায়।সর্বপ্রথম তিনি নিজের মায়ের আশীর্বাদ নেন।এরপর তিনি বারাবনির রূপকার হিসেবে পরিচিত স্বর্গীয় মানিক উপাধ্যায়ের মূর্তিতে মাল্যদান করে বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।জনসমুদ্রের জোয়ার
মনোনয়ন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে পাঁচগাছিয়া এলাকায় উৎসবের মেজাজ তৈরি হয়। স্বর্গীয় মানিক উপাধ্যায়ের স্মৃতি ভবন থেকে শুরু হয় এক বিশাল শোভাযাত্রা।শ্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে এলাকা। হাজার হাজার কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে বিধান উপাধ্যায় জেলা শাসক দপ্তরে পৌঁছান এবং নিজের মনোনয়ন পত্র জমা দেন।তিনি সাংবাদিকদের জানান

বারাবনি বিধানসভার মূল সমস্যা হলো পানীয় জল। কেন্দ্র সরকারের অসহযোগিতার কারণে আমাদের পানীয় জল প্রকল্পটি থমকে আছে। জেতার পর আমার প্রধান কাজ হবে এই প্রকল্পটি দ্রুত সম্পন্ন করে মানুষের ঘরে ঘরে জল পৌঁছে দেওয়া।”
তিনি আরো বলেন “বিধায়ক নই, আমি ঘরের ছেলে” নিজের জয়ের ব্যাপারে ১০০ শতাংশ আত্মবিশ্বাশী। তিনি জানান, বারাবনির মানুষ তাকে কেবল একজন বিধায়ক হিসেবে নয়, বরং ঘরের ছেলে হিসেবে দেখেন।বছরভর মানুষের সুখে-দুখে পাশে থাকার পুরস্কার তিনি ভোটের দিন পাবেন বলে দাবি করেন। তাঁর মতে, গতবারের তুলনায় এবার জয়ের ব্যবধান আরও অনেক বেশি হবে।
মনোনয়ন পর্ব মিটিয়ে তিনি সরাসরি চলে যান কল্যাণেশ্বরী মন্দিরে। সেখানে মা কল্যাণেশ্বরীর চরণে পুজো দিয়ে জয়ের প্রার্থনা করেন তিনি।বারাবনি এখন দেখার অপেক্ষায়, ‘ঘরের ছেলে’ বিধান উপাধ্যায় আগামী দিনে জয়ের ব্যবধানে নতুন কোনো রেকর্ড গড়েন কি না?

