কালীপুজোর পর থেকে বর্ষা শুরুর আগে পর্যন্ত শুখা মরশুম হিসাবে বিবেচিত হয় ৷ রতুয়া এক নম্বর ব্লকের গঙ্গা ভাঙন দুর্গত মহানন্দটোলা ও বিলাইমারি গ্রাম পঞ্চায়েতের মানুষজন অনেকদিন ধরেই দাবি জানাচ্ছেন, শুখা মরশুমে গঙ্গা ভাঙন রোধের কাজ করা হোক ৷ তাতে মাটি কিছুটা বাঁচবে ৷

কিন্তু তাঁদের অভিযোগ, তাঁদের দাবিকে কোনও গুরুত্বই দেয় না প্রশাসন৷ গত বছর ভাঙন রোধের কাজ হয়নি৷ এবার এখনও পর্যন্ত সেই কাজ শুরু হয়নি৷ শুরু যে হবে তারও কোনও নিশ্চয়তাও নেই। মহানন্দটোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের শ্রীকান্তটোলা গত বছরের ভাঙনে প্রায় নিশ্চিহ্ন৷ এখন গোটা দশেক ঘর রয়েছে পুরো গ্রামে৷ একজন গ্রামবাসি জানান, দু’বছর ধরে আমরা আশা করে রয়েছি ভাঙন রোধের কাজ হবে। কিন্তু কোনও কাজ হয় না। প্রশাসন কিংবা সরকার আমাদের কিছুই দিচ্ছে না৷ আমাদের আর কী চাওয়ার আছে ? আমাদেরও ঘর আর গ্রাম ছেড়ে অন্য কোথাও আশ্রয় নিতে হবে ৷”মন্দির থেকে এখন নদীর দূরত্ব 25 মিটারের বেশি নয়৷ 50 মিটার দূরে মুলিরামটোলা প্রাথমিক স্কুল। এবার স্কুলটাও আর থাকবে কি না সন্দেহ রয়েছে৷

By EXTV

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *