ত্রিপুরা ধলাই জেলা কমলপুর কলাছড়ি গ্রামের হতদরিদ্র এক ছাত্র ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদ পরিচালিত উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনঘন্টা দাঁড়িয়ে পরীক্ষা দিয়ে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়ে গোটা রাজ্যের নাম উজ্জ্বল করেছে। ছাত্রটি বর্তমানে তার পরিবারের লোকজনদের নিয়ে কমলপুর কমলেশ্বরী কালীবাড়ি পাড়ায় বিনোদ দাস নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে ভাড়া থাকে । ছাত্রটির বাবা চানা, বাদাম, পাঁপড় ইত্যাদি বাড়িতে তৈরি করে ফেরি করে সংসার চালায়। ছাত্রটির নাম সন্দীপ দাস। সে গত একবছর যাবৎ মারাত্মক এক রোগে ভুগছে। তার মেরুদণ্ডের নিচে একটি টিউমার হয়েছে। গত ডিসেম্বর মাসে তার অপারেশন হয়। এই অবস্থায় তার রোগ নির্মূল হয়নি ।

রোগ নিয়েই সে এইবার দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তিনঘন্টা যন্ত্রণা সহ্য করে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়ে প্রথম স্থান দখল করে। সে ৩৮০ নম্বর পেয়ে প্রথম বিভাগে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে । সে ছিল বিজ্ঞান বিভাগে। তবে, ছাত্রটিকে চিকিৎসা করাতে গিয়ে তার পরিবার চারবার একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে লোন নেয়। কিন্তু তার ক্ষতস্থান এখনও সারেনি। তার চিকিৎসা প্রয়োজন। কিন্তু, তাদের সেই সামর্থ্য নেই। আগের ঋণের টাকা ও পরিশোধ করতে পারেনি। তবে কি করে ছাত্রটির চিকিৎসা হবে তা নিয়ে চিন্তিত তার মা-বাবা।
তাদের নেই কোন অন্তোদয় বা বিপিএল পরিষেবা। তাই, ছাত্রটি এবং তার মা বাবা ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা ও স্থানীয় নেতৃত্বের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে।

