এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে নয়নসুখের কালভার্ট এলাকা।
সাধারণ মানুষের অভিযোগ পঞ্চায়েত সদস্য ডালিম মিয়া বহুদিন যাবত বিশাল এলাকা জুড়ে অবৈধভাবে মাটি খনন করছে। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পার্শ্ববর্তী চাষী জমি ও আম ও লিচুর বাগান। তাদের আরো অভিযোগ ডালিম মিয়া নিজের জমিতে মাটি খনন করতে গিয়ে অন্যের জমি ঘিষিয়ে খনন করছে, এর ফলে পার্শ্ববর্তী জমিতে ধ্বস নামছে আর সেই সুযোগেই পার্শ্ববর্তী জমি মালিক কে বাধ্য করছে জমি বিক্রি করতে। এই ভাবেই ১৫ বিঘা জমির পুকুর থেকে সে প্রায় ৪৮ বিঘার পুকুরে পরিণত করেছে। কার্যত এভাবেই জমি মাফিয়া হয়ে উঠেছে ডালিম মিয়া বলেই স্থানীয়দের অভিযোগ। শুধু তাই নয় স্থানীয়দের অভিযোগ ডালিম মিয়া তার দল বলের লোকজন নিয়ে এলাকায় সন্ত্রাসের সৃষ্টি করছে। স্থানীয় মানুষরা BDO, BLRO, ও আরো অন্যান্য অফিসে অভিযোগ জানিয়েও কোন সূরা হয়নি বলেও তারা জানিয়েছে।


আজ দুপুর নাগাদ বিএলআরও অফিসের অধিকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। সেই সময়েই স্থানীয়দের সঙ্গে ডালিম মিয়ার দল বলের বচসা হয় ও দফাই দফাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। যদিও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে ডালিম মিয়ার নামে ওঠা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভাবে অস্বীকার করেছেন ডালিম মিয়া। তিনি জানিয়েছেন ওই স্থানে আগে জলাভূমি ছিল সেটিকেই সংস্কারের মাধ্যমে একটি পুকুরের রূপ দেওয়া হচ্ছে। এবং সেখানে সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে মাত্র। তিনি যেহেতু সেখানকার জনপ্রতিনিধি তাই তিনি সাধারণ মানুষের সেবা করতে বদ্ধপরিকর। তিনি জানান যে ওই পুকুরটি জল ধরো জলভরো প্রকল্পের মাধ্যমে খনন করা হয়। স্থানীয় প্রশাসন ও প্রধানের ছাড়পত্র নিয়েই তিনি সেখানে সংস্কারের কাজে হাত দিতে যাচ্ছেন। কিছু অসৎ মানুষ তার এই কাজের বিরোধিতা করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

By EXTV

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *