পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী হিসেবে তিনি পরিযায়ী শ্রমিকের কাজে হায়দ্রাবাদে গিয়েছিলেন। টাওয়ারের কাজে নিয়োজিত থাকার সময় হঠাৎই উপর থেকে পড়ে গুরুতরভাবে আহত হন। দুর্ঘটনায় তাঁর একটি হাত ও একটি পা কেটে ফেলতে হয়েছে। মুহূর্তের মধ্যে বদলে যায় একটি হাসিখুশি পরিবারের ভবিষ্যৎ।

মুন্নার পরিবারে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী, বৃদ্ধ মা এবং চারজন নাবালক সন্তান। এতদিন সংসারের সমস্ত দায়িত্ব একাই সামলাতেন তিনি। এখন তাঁর শারীরিক অবস্থার কারণে পরিবারের সামনে নেমে এসেছে চরম অনিশ্চয়তা। কীভাবে চলবে সংসার? কীভাবে পড়াশোনা করবে সন্তানরা? চিকিৎসা, খাবার, দৈনন্দিন খরচ—সবকিছুই এখন বড় প্রশ্নচিহ্ন।
এই দুঃসময়ে পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন গরিবের সাথী হিসেবে পরিচিত শাবানা সুলতানা ইয়াসমিন। দুর্ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই তিনি এনায়েতপুরে মুন্নার বাড়িতে পৌঁছে যান। রমজান মাসকে সামনে রেখে পরিবারের জন্য খাদ্যসামগ্রী, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও পোশাক তুলে দেন। শুধু তাই নয়, তিনি মুন্নার সন্তানদের ভবিষ্যতের দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাসও দেন।
এমন মানবিক উদ্যোগ নিঃসন্দেহে সমাজের কাছে এক বড় বার্তা। বিপদের সময় পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত মানবতা। শাবানা সুলতানা ইয়াসমিনের এই সহায়তা শুধু একটি পরিবারের মুখে হাসি ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা নয়, বরং সমাজের অন্যদেরও এগিয়ে আসার অনুপ্রেরণা। গরিবের সাথী শাবানা সুলতানা ইয়াসমিনের উদ্যোগটি আপনাদের কেমন লেগেছে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানাবেন।

