অবশেষে ভেঙ্গে পড়ল ডাউকিমারির পুরনো ধানের শেড। অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ব্যবসায়ী। ভরদুপুরে বাজারে লোক না থাকায় বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই বলেই দাবী স্থানিয়দের।একাধিকবার জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে মাপ যোগ নিয়ে গেলও কাজের কাজ হয়নি কিছুই বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের। এদিকে গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের সামনেই নড়বড়ে ঘর থাকার পরেও সংস্কার কিংবা নব নির্মাণ হয়নি কেন এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।ঘটনাটি ঘটেছে ধুপগুড়ি ব্লকের ঝাড় আলতা এক নং গ্রাম পঞ্চায়েতের ডাউকিমারী সবজি বাজারে। জানা যায় দীর্ঘদিন থেকেই জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের তৈরী কাঠ ও টিনের এই জরা-জীর্ণ ঘরটি বেহাল অবস্থায় পড়েছিল। এনিয়ে বাজার ব্যবসায়ী সমিতি ও ব্যবসায়ীরাও একাধিকবার স্থানীয় প্রশাসনকে জানিয়েছে, তবে দু একবার মাপযোগ ছাড়া আর কিছুই হয়নি। জানা যায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শেডটি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল।

যে কারণে অনেকেই দোকান সরিয়ে নেয়। তবে ঘটনাক্রমে এক দোকানদারের মাথার উপর সেটি ভেঙ্গে পড়তে দেখে কোন রকমে দোকান ছেড়ে পালিয়ে প্রাণে বাঁচে ওই ব্যবসায়ী ।যদিও এ বিষয়ে ঝাড় আলতা এক নং গ্রাম পঞ্চায়েত প্রশাসন মুখ খোলেননি। অবশ্য স্থানীয় প্রশাসন মৌখিক ভাবে জানান এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তবে কি কারণে তারা মুখ খোলেনি তা নিয়ে একটা প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। এদিকে বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সেক্রেটারি এবং ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে বলেন খুব গুরুত্বপূর্ণ এই ধানের শেডটি, খুব দ্রুততার সাথে পুনঃনির্মাণের দাবি রেখেছেন তারা। বাজারের ব্যবসায়ীরা খাজনা প্রদান করে ঠিকই কিন্তু জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সাহায্য না পেয়ে নিরুপায় বাজার ব্যবসায়ীরা।
এখন দেখার বিষয় বৃষ্টি বাদলের দিনে ব্যবসায়ীরা সমস্যায় থাকার পরেও প্রশাসন কি উদ্যোগ নেয়?

