জানা যায়, বুধবার দুপুরে রাস্তারমাথা এলাকা থেকে ঠিকাদার অজয় দেবনাথ নামে এক ব্যক্তি স্কুটি চেপে মধুপুরের উদ্দেশ্যে আসছিল যার নম্বর TR07H8993, আচমকা মধুপুরের দিক থেকে TR07E7317একটি বাইক নিয়ে ঈশান দাস নামে এক যুবক তার বৌদিকে নিয়ে বিশালগড় নেহাল চন্দ্রনগরের উদ্দেশ্যে যাওয়ার সময় লেম্বুতলী এলাকায় আসতেই কোন সংকেত না দিয়ে ঈশান দাস নামে ওই যুবক মূল সড়ক থেকে নেহাল চন্দ্রনগরের দিকে অতি দ্রুত গতিতে যাওয়ার সময়, অপর দিক থেকে আসা স্কুটিটি’কে সজোড়ে ধাক্কা দেয়। যার ফলে বাইক এবং স্কুটি থেকে উভয়ই ছিটকে রাস্তায় পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই ঈশান দাস নামে ওই যুবকের বাইকে থাকা তার বৌদি পূর্ণিমা দাস অজ্ঞান হয়ে পড়েন। বিকট শব্দ শুনতে পেয়ে পথচারীরা এগিয়ে এসে দেখতে পায় বাইক এবং স্কুটি দুইটি ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যায়। অন্যদিকে, অজয় দেবনাথ গুরুতর আহত হয়ে রাস্তার পাশে পড়ে থাকে রক্তাক্ত অবস্থায়।

পরে ওএনজিসি গাড়ি দিয়ে তাদেরকে মধুপুর হাসপাতালে নিয়ে আসা হলো অজয় দেবনাথের চিকিৎসা চললেও গুরুতর আহত পূর্ণিমা দাসকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ত্রিপুরা প্রধান রেফারেল হাসপাতাল আগরতলা জিবিপি হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। এদিকে পথচারীরা জানান, বাইক চালক ঈশান দাসের ভুলের জন্যই এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা হয়েছে। এদিকে এলাকার জনগণের অভিযোগ, কমলাসাগর-রাস্তারমাথা মূল সড়কটির কাজ হওয়ার পর সোজা রাস্তা পেয়ে কিছু বাইক চালক এবং গাড়ি চালকরা দিশেহারা হয়ে পড়ছে যার পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় সময় এই ভয়াবহ যান দুর্ঘটনা ঘটছে। এলাকার জনগণ মধুপুর থানার পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন পুলিশ যদি রাস্তার মধ্যে যানবাহন চেকিং এবং টহলদারি দিয়ে থাকত তাহলে কিছুটা হলেও এই ভয়াবহ যান দুর্ঘটনা এড়ানো যেত।

