ব্যবসায়ীর জমি জবর দখল করে আবাসে ঘর তোলার অভিযোগ উঠল প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁর দোকানেও। ঘটনায় বক্সিরহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেও কোনও সূরাহা হয়নি বলে অভিযোগ জমির মালিকের। এই অবস্থায় শুক্রবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে জমির মালিক ননীগোপাল সরকার। জমি দখলের ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই রীতিমতো হইচই পড়ে গিয়েছে তুফানগঞ্জ-২ ব্লকের ভানুকুমারী-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের ছিটবড় লাউকুটি এলাকায়।
জানা গিয়েছে, বক্সিরহাটের ভানুকুমারি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের ছিটবড় লাউকুটি এলাকার বাসিন্দা ননীগোপাল সরকার বছর তিনেক আগে বাড়ি সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা রাজকুমারী সরকারের কাছ থেকে ৮ শতক জমি কিনেছিলেন। পরে ঘর তুলবেন বলে জায়গাটি পতিত রাখেন তিনি। কিছুদিন পরেই ওই জমি বিক্রেতার বোনের ছেলেরা আচমকা এসে সেই জমি দখল ধরেন। সম্প্রতি তার একটি দোকানে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

তাতেই করুন অবস্থায় দিন কাটছে তার। সমস্যা সমাধানের আশায় থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন তিনি তাতেও কোন কাজ হয়নি। সেই দখল করা জমিতে আবাসের সরকারি ঘর তুলছেন ওই অভিযুক্ত সুদীপ সরকার বলে অভিযোগ। প্রতিবাদ করতে গেলে উল্টে মারধর করার পাশাপাশি হুমকিও দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। জমি ফেরত চেয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে কাতর আবেদন জানিয়েছেন তিনি। যদিও অভিযুক্তের সাফাই তাঁর মাসিকে ভুল বুঝিয়ে জমি কেনেন ননীগোপাল সরকার।
ননীগোপাল সরকার বলেন, উপার্জনের টাকা দিয়ে বাড়ি সংলগ্ন ৮শতক জমি কিনেছিলেন তিনি। তবে দলবল নিয়ে গায়ের জোরে দেখিয়ে তার জমি দখল করে নিয়েছে এক প্রতিবেশী। এমনকি তার ছেলেকে পরীক্ষা দিতে নিয়ে যাওয়ার পরে আচমকা ওই অভিযুক্ত তাঁর দোকানে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে। তাই সুবিচারের আশায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে দাবি জানিয়েছেন তিনি।
যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এই প্রতিবেশী সুদীপ সরকার। তিনি জানান, মাসির আমাকে না জানিয়ে জমি বিক্রি করেছিলেন। তাই আমাদের জমিতে আমি ঘর তুলছি বলে জানান তিনি।

