তৃণমূলের ডেপুটেশন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র পরিস্থিতি গাজলের আলাল গ্রাম পঞ্চায়েতে। বিরোধীদলের দখলে থাকা পঞ্চায়েতে কার্যত ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। গেট ভেঙে পঞ্চায়েত অফিসে ঢুকে মারধরের চেষ্টা। অশ্রাব্য ভাষায় গালি-গালাজ এবং ইট ছুড়ে মারার চেষ্টা ওই পঞ্চায়েতের শাসক পক্ষের প্রতিনিধিদের, কাঠগড়ায় তৃণমূল। পাল্টা বিরোধীদের বিরুদ্ধে পঞ্চায়েতে আগ্নেয়াস্ত্র মজুদ রাখার অভিযোগ তৃণমূলের। বর্তমানে এই পঞ্চায়েতে ক্ষমতায় রয়েছে বিরোধীরা, প্রধান রয়েছে বিজেপির উমা মন্ডল, উপ-প্রধান রয়েছে কংগ্রেসের শফিকুল ইসলাম। তৃণমূল এখানে বিরোধী আসনে। টেন্ডারে দুর্নীতি বেনিয়ম সহ নয় দফা দাবিতে এদিন পঞ্চায়েতে একটি ডেপুটেশন কর্মসূচি ছিল তৃণমূলের।

সেখানে কর্মী সমর্থকদের নিয়ে বিরোধী দলনেতা ফারুক হোসেন জোর করে পঞ্চায়েতের মূল গেটে ধাক্কা দিয়ে পঞ্চায়েত চত্বরে ঢুকে পড়ে। পুলিশ কার্যত দাড়িয়েছিল তখন। তারপর আরেকটি দরজা ভেঙে উপরে ওঠার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের আটকায়। নিচ থেকেই চলতে থাকে গালি-গালাজ। ছোড়া হয় ইট। পঞ্চায়েতের বাইরে এক ঠিকাদারকেও বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। যদিও তৃণমূল দাবি করছে বিজেপি এবং কংগ্রেস পঞ্চায়েতে বহিরাগত গুন্ডা এবং আগ্নেয়াস্ত্র মজুদ রেখে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় গাজোল থানার পুলিশকে। থমথমে রয়েছে পঞ্চায়েতের আশেপাশের এলাকা।

