তিন চার দিন থেকে পড়ে থাকা মৃ*ত কুকুরের দুর্গন্ধ নিয়ে বাড়িতে থাকাই দায় এমনটাই দাবি স্থানীয়দের। ঘটনাটি ঘটেছে ধুপগুড়ির ঝাড় আলতা এক নং গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৫/৬৩ নং বুথ অর্থাৎ ডাউকিমারী বাজার ঘেঁষা মহাসংঘের ঠিক পেছনেই এলাকার বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যা রমা মন্ডলের বাড়ি। অভিযোগ পঞ্চায়েতের সদস্যার শৌচালয়ের পাশেই মরে পড়ে রয়েছে কুকুর। দুর্গন্ধে রাস্তা দিয়ে হেঁটে চলাটাই দুষ্কর হয়ে দাঁড়িয়েছে। একাধিকবার জানিয়েও কোন লাভ হয়নি বলে অভিযোগ। ফলে বাধ্য হয়ে স্থানীয়রা যোগাযোগ করেন আমাদের সাথে। তবে প্রশ্ন উঠছে এলাকার পঞ্চায়েত সদস্যের এরকম ব্যবহারের জন্য। যেখানে এলাকার সমস্যার সমাধানের জন্যই নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্য। এলাকার সমস্যা, মানুষের অভিযোগ শোনা তো দূরের কথা সামান্য কুকুরকে মাটি চাপা দিতে ব্যর্থ পঞ্চায়েত।

স্থানীয়রা বলেন খুব শীঘ্রই সমস্যার সমাধান করা হোক এবং কুকুরটিকে যথাস্থানে রেখে দেওয়ার ব্যবস্থা নেক প্রশাসন। অবশ্য পুরো বিষয়টি মানতে নারাজ এলাকার পঞ্চায়েত সদস্যা। তিনি বলেন যে কেউ কুকুরটিকে যথাস্থানে রাখতে পারতো কেউ আসে নিয এগিয়ে, বাড়িতে গার্জিয়ান না থাকায় কুকুরটিকে ফেলতে পারিনি। অবশ্য এদিকে মহাসংঘের সদস্য মমতা রায় পাল্টা অভিযোগ করে বলেন মহাসঙ্ঘের পাশেই অর্থাৎ পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়ির কাছেই এলাকার সাফাই কর্মীর বাড়ি। সেই সাফাই কর্মী ইচ্ছাকৃতভাবে সেই কুকুর সেখানে রেখে দিতে পারে বলেই অভিযোগ করেন তিনি। এ বিষয়ে এলাকার উপপ্রধান রাজকুমার রায় কেও ফোন করা হয়, তিনি জানান দুপুরের মধ্যেই সমস্যা সমাধান হবে। কিন্তু দুপুর গড়িয়ে বিকাল হলেও সমস্যা সমাধান না হওয়ায় বিপাকে পড়েন এলাকাবাসীরা।এবিষয়ে পরিবেশ প্রেমীরা বলেন, এধরনের কোনো ঘটনা ঘটে থাকলে স্থানীয় প্রশাসনকে সেই সমস্যা দ্রুত মেটানো উচিৎ। নইলে দুর্গন্ধের পাশাপাশি রোগ ছড়াতে পারে। খবর পরিবেশনের পড়ে নড়েচড়ে বসবে কি এলাকার পঞ্চায়েত?তবে মৃত কুকুরের দুর্গন্ধ থেকে রেহাই পাবে স্থানীয়রা সেটাই এখন দেখার বিষয়?

