১২ এপ্রিল ত্রিপুরা জনজাতি এলাকা স্বশাসিত জেলা পরিষদের নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলো ঝড়ের গতিতে প্রচার চালাচ্ছেন। ঠিক একই সময় ত্রিপুরা সিপাহীজলা জেলা ২২ নং কাঠালিয়া-মির্জা-রাজাপুর থলিবাড়ি এডিসি ভিলেজের অন্তর্গত ধূপছড়া-বালুচড়া এবং মাতাম্বাড়ী এই তিনটি এডিসি এলাকার জনজাতি মানুষজন সবাই একত্রিত হয়ে তাদের নিত্য দিনের সমস্যা গুলি সমাধানের জন্য আমাদের সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের নিকট দ্বারস্থ হয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।


ওই এডিসি এলাকার অরমনি ত্রিপুরা, শান্তিপদ ত্রিপুরা, ব্রজেন্দ্র ত্রিপুরা, বচ্চন ত্রিপুরা, চিরন লক্ষ্মী ত্রিপুরা, খুশির রানী ত্রিপুরা, চিরন কন্যা ত্রিপুরা সহ প্রায় ৪০ থেকে ৫০ জন জনজাতি মহিলা, পুরুষ ক্ষুব্দ হয়ে বলেন, ভোট তাঁরা কেন দেবে? নির্বাচন এলেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী থেকে শুরু করে নেতা-মন্ত্রীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনজাতি মানুষজনদের বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকেন। কিন্তু, আজ পর্যন্ত তা আর বাস্তবে পরিণত হলো না।
ভোট শেষ হওয়ার পর জনজাতি মানুষজনদের আর খবর রাখে না জনপ্রতিনিধিরা। দীর্ঘ ৮ থেকে ৯ বছর ধরে পরিশ্রুত পানীয় জল পান করার ভাগ্যে নেই ওই এডিসি এলাকার জনজাতি মানুষজনদের। বিগত সরকারের আমলে যে রাস্তাগুলি হয়েছিল মোটামুটিভাবে সেই রাস্তা দিয়ে ছোট-মাঝারি গাড়ি আসা-যাওয়া করতে পারত। এখন সেই রাস্তা ভেঙে চুরমার হওয়ার কারনে গাড়ি আসা তো দূরের কথা জনজাতি মানুষজনরা ঠিকমতো চলাফেরা পর্যন্ত করতে পারছেন না। কিন্তু, বিজেপি পরিচালিত বর্তমান ত্রিপুরা সরকার এবং এডিসি এলাকার তিপ্রামথা সরকার জনজাতি মানুষজনদের এই সংসাগুলি নিয়ে কোনো চিন্তাভাবনা করছে না। তাদের লক্ষ্য, জনজাতি মানুষজনদের ভোট পাওয়া। আগে জনজাতি মানুষজনদের সমস্যাগুলি সমাধান করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে বিজেপি পরিচালিত ত্রিপুরা সরকার এবং এডিসি এলাকার তিপ্রামথা সরকারকে,
তারপরেই তাঁদেরকে ভোট দেওয়া হবে, তা না হলে ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ক্ষুব্ধ জনজাতি মানুষজন।

By EXTV

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *