চিরাচরিত প্রথা অনুযায়ী তোরমুজ চাষ মানেই প্রয়োজন নদীর চর, কিন্তূ নদীর চরের বালি বাদদিয়ে সাধারন মাটিতেই তোরমুজ চাষ করা সম্ভব। হ্যাঁ ঠিকি শুনেছেন মালচিং পদ্ধতিতে সাধারন মাটিতে তোরমুজ চাষ করে লাভের মুখ দেখছেল বিষ্ণনগর কোলোনির চাষিরা। একসময় শুধুমাত্র নদীর চরে বালির মধ্যেই তোরমুজ চাষ করা সম্ভব হতো। কিন্তূ বর্তমানের কৃষকরা মালচিং পদ্ধতিতে সাধারন মাটির উপর তোরমুজ চাষ করাযায় একথা প্রমান করেছেন। আলিপুরদুয়ার জেলার আসাম বাংলা সিমানার প্রান্তিক এলাকা বিষ্ণুনগর কোলোনির চাষিরা সাধারন মাটিতেই তিন বছর থেকে পরিক্ষ্যামূলক ভাবে তোমমুজ চাষ করছেন।

প্রথমে অল্প জমিতে তোরমুজ চাষ শুরু করলেও এবছর প্রায় আষি জন কৃষক তিনশো বিঘের বেসি জমিতে তোরমুজ চাষ করেছেন। মালচিং পদ্ধতিতে বিঘেপ্রতি তোরমুজ চাষের খরচ পরছে অনুমানিক কুড়ি থেকে পচিশ হাজার টাকা। তবে অন্যান চাষের থেকে তোরমুজ চাষে কৃষকদের আয় বেসি হচ্ছে একথা স্বীকার করেছেন তারা। ইতি মধ্যেই আলিপুরদুয়ার জেলার বিভিন্ন জায়গার পাশাপাশি পাশ্ববর্তী রাজ্য আসামে এবং আগরতলা, শিলচর, তুরাতেও পাইকারি দরে তোরমুজ রপ্তানি করছেন বিষ্ণুনগরের চাষীরা।

