উপপ্রধানের স্বামী বিজেপি নেতা বিকাশ রায় স্বীকার করে নিয়েছেন দুর্নীতির কথা। তিনি বলেন গোটা পশ্চিমবঙ্গ নিন্মমান হয়েগিয়েছে। চাকরি নেই, শিক্ষা দুর্বল হয়েগিয়েছে। দুর্নীতি করছেন সেই কথা বুক ফুলিয়ে বলতে দেখা গেলো তাকে

বিজেপি নেতার নেতৃত্বে গুন্ডা বাহিনীর হুমকি স্থানীয়দের অন্ধকারে রেখে দুর্নীতি চরমে। অভিযোগ ধূপগুড়ি ব্লকের সাঁকোয়াঝোরা ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের পূর্ব মল্লিক পাড়া এলাকায়। ঘটনায় মঙ্গলবার ইঞ্জিনিয়ার কে ঘিরে ক্ষোভ সাধারণ মানুষের। প্রতিবছর বর্ষায় ডুডুয়া নদীর জল ঢুকে জলমগ্ন হয়ে পরে পূর্ব মল্লিক পাড়ার তিতলি তলা এবং সংলগ্ন এলাকা। চারিদিকে জল মাঝখানে একটি ছোট্ট গ্রাম যেন দ্বীপের মতো তৈরী হয়। স্থায়ী ব্রিজ এবং জল আটকানোর কোনো বাঁধ না থাকায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হয় দিনমজুর গরীব পরিবারগুলোকে। এর আগে জলপাইগুড়ি জেলার সাংসদ ও ধূপগুড়ির বিধায়ক এসে পরিদর্শন করেন এলাকা। স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি অনুযায়ী ফুট ওভার ব্রিজ এবং পাকা গার্ড ওয়াল নির্মাণ করা হচ্ছে। কিন্তু অভিযোগ, কাজ শুরু হয়েছে বেশ কয়েকদিন হয়ে গেলেও, কোনরকম সাইনবোর্ড লাগানো হয়নি। যার ফলে স্থানীয়রা বুঝতেই পারছেন না ঠিক কত টাকা ব্যয় এই নির্মাণ কাজ করা হচ্ছে। অভিযোগ স্থানীয়দের অন্ধকারে রেখে ভুল বুঝিয়ে রীতিমতো হুমকি দিয়ে ভয় দেখিয়ে দ্রুত কাজ সম্পূর্ণ করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিবাদ করতে গেলে তাঁদের হুমকি এবং ভয় দেখানো হচ্ছে। বলা হচ্ছে দুর্নীতির প্রতিবাদ করলে এখান থেকে কাজ সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। ভুক্তভোগী হতে হবে স্থানীয়দের।
স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য তথা সাঁকোয়াঝোরা ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান শম্পা রায়ের স্বামী বিজেপি নেতা বিকাশ রায়ের নেতৃত্বে চলছে এই দুর্নীতি। হুমকি।

এই বিষয়ে পঞ্চায়েত উপপ্রধানের স্বামী বিকাশ রায় স্বীকার করে নিয়েছেন দুর্নীতির কথা। তিনি বলেন গোটা পশ্চিমবঙ্গ নিন্মমান হয়েগিয়েছে। চাকরি নেই, শিক্ষা দুর্বল হয়েগিয়েছে। তাই এখানেও দুর্বল হওয়ার বাকি কিছু নেই। তার কথায় রাজ্যের শাসক দলের দেখানো পথে তিনিও হাটছেন। দুর্নীতি করছেন সেই কথা বুক ফুলিয়ে বলতে দেখা গেলো তাকে।
অনিয়ম করে কাজ হচ্ছে স্বীকার করে নিয়েছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ার। কোন সাইনবোর্ড না লাগিয়ে অন্যায় ভাবে কাজ করা হচ্ছে তিনি স্বীকার করে নেন। তাহলে কি রাজনৈতিক নেতা, ঠিকাদারদের চাপেই ইঞ্জিনিয়ারকে ঠুটো জগন্নাথ করে রাখা হয়েছে।
স্থানীয় মানুষের আরো অভিযোগ,ঠিকাদার, ইঞ্জিনিয়ার এবং স্থানীয় কিছু অসাধু ব্যক্তিদের নিয়ে একযোগে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করে দুর্নীতির নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রাক্তন পঞ্চায়েত, বর্তমান উপপ্রধানের স্বামী বিজেপি নেতা বিকাশ রায় বাপি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের এভাবেই ভুল বুঝিয়ে হুমকি দিয়ে দ্রুততার সঙ্গে অনিয়ম করে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করে চলে যাবে ঠিকাদার। কিন্তু সমস্যায় পড়তে হবে ফের স্থানীয় বাসিন্দাদেরই। চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হবে। দুঃখ কষ্টের জীবন যন্ত্রণায় ভুক্তভোগী
ডুডুয়া পাড়ের বাসিন্দাদের এভাবেই দিন কাটাতে হবে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দিনের আলোতে অন্ধকারে রেখে এভাবেই চলছে দুর্নীতি। তৃণমূলের পর সিপিআইএম,বিজেপি পরিচালিত সাঁকোয়াঝোরা ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের রং বদলালেও দুর্নীতির ছবিটা আর বদলাচ্ছে না। যদিও গ্রাম পঞ্চায়েত সিপিআইএম প্রধান প্রফুল্ল রায় বলেন, এই বিষয়ে বিধায়কের কাছেও অভিযোগ গিয়েছে। কিন্তু কাজ ওখানেই হবে। অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা কেউ যদি বলে সেটা ভুল। আমাদের পঞ্চায়েত
উপপ্রধান মহিলা তাই তার স্বামী অলিখিত হবে তার কাজ দেখাশোনা করেন এই কথা স্বীকার করে নিয়েছেন প্রধান। বিষয়টি নিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

By EXTV

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *