গুরুতর আহত জমির মালিক তুলসী দাস রবিবার সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানান, ১৯৯৭ সালে এই জমিটি আজকের ঘটনায় মূল অভিযুক্তদের পিতার কাছ থেকে ক্রয় করেছিলেন তিনি। ঘটনাটি ত্রিপুরা খোয়াই জেলা রামচন্দ্রঘাট বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত লালটিলা গ্রামে। চান মোহন দাস, নয়ন দাস এবং পরিচয় দাস এই তিনজন মিলে দীর্ঘদিন ধরে তুলসী দাস ও তার পরিবারের লোকজনকে চাপ দিতে থাকেন জমিটি ছেড়ে দেওয়ার জন্য।

জমি না ছাড়ার কারনে যথারীতি আজ অভিযুক্ত চান মোহন দাস, নয়ন দাস এবং পরিচয় দাস মিলে তুলসী দাস তাঁর স্ত্রী এবং তাঁর ছেলেকে বেধড়ক মারধর করে গুরুতর আহত করেছে। জমি সংক্রান্ত বিষয়টি নিয়ে দুই থেকে তিনবার স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরে সালিশি সভা ও হয়। সালিশি সভায় বর্তমান জমির মালিক তুলসী দাসের পক্ষে রায় ঘোষণা করা হয়। একপ্রকার স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের এই রায়কে অবজ্ঞা করে আজ তুলসী দাস , ওনার স্ত্রী এবং উনার ছেলেকে মারধর করেছে চান মোহন দাস, নয়ন দাস এবং পরিচয় দাস নামে তিনজন অভিযুক্তরা। গোটা বিষয়টি জানিয়ে আহত তুলসী দাস তিনজন অভিযুক্তদের নামে থানায় মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন। এখন দেখার বিষয় পুলিশ গোটা ঘটনাটি নিয়ে অভিযুক্ত তিনজনের বিরুদ্ধে কি পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এই ঘটনায় বর্তমানে গোটা গ্রামের মানুষজনের মধ্যে তীব্র চাঞ্চল্য বিরাজ করছে।

